ইন্টারনেট কি বিশ্বের অফুরন্ত জ্ঞান ভাণ্ডারকে কম্পিউটারের পর্দায় এনেছে ইন্টারনেট। ইন্টার কানেকটেড আর নেটওয়ার্কস, এই শব্দ দু’টিকে সংক্ষিপ্ত আকারে একত্রিত করে ইন্টারনেট শব্দটি তৈরি করা হয়েছে বলে ভাবা যেতে পারে। অর্থাৎ পরস্পর সংযুক্ত অনেকগুলি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা কার্যক্রমের সমন্বয়ই হলো ইন্টারনেট। বস্তুত, ইন্টারনেটে এ রকম হাজার হাজার কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যুক্ত রয়েছে। সারা বিশ্ব জুড়ে ইন্টারনেটের বিস্তার। কম্পিউটারই ইন্টারনেটের মাধ্যম। এখন দেখা যাক, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলতে কী বোঝায়। ধরা যাক, অনেকগুলি কম্পিউটার পরস্পরের সঙ্গে এমন ভাবে যুক্ত যে, তারা নিজেদের মধ্যে তথ্য ও সম্পদ আদানপ্রদান করতে পারে। এই কম্পিউটারগুলির যোগসূত্রকেই বলে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। এ রকম অনেকগুলি কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে আবার পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করে তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের সামনে উপস্থিত করেছে ইন্টারনেটকে। স্পষ্টতই কোনও একটি মাত্র নেটওয়ার্ক দিয়ে ইন্টারনেট তৈরি হয়নি। ইন্টারনেটকেও যদি একটি নেটওয়ার্ক বলে ভাবা হয়, তা হলে তা আসলে অনেকগুলি কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমন্বিত রূপ। বিষয়টি সহজে বোঝার জন্য আমরা এ ভাবে ভাবতে পারি যে, অনেকগুলি পূর্ণ সংখ্যা যোগ করলে যেমন একটি পূর্ণ সংখ্যা পাওয়া যায়, তেমনি অনেকগুলি কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে যুক্ত করেই ইন্টারনেটের উদ্ভাবন হয়েছে। তাই বিশ্বে বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক হলো ইন্টারনেট। ইন্টারনেট কত প্রকারের হয় উপরের অনুচ্ছেদে আমরা ইন্টারনেট কি ? সেই বিষয়ে কথা বললাম। এবারে আমরা ইন্টারনেটের ব্যবহার অনুযায়ী ইন্টারনেটের প্রকারভেদ নিয়ে কথা বলব। ইন্টারনেট মূলত ০৬ প্রকারের - ০১. ডায়েল আপ ইন্টারনেট :- ইন্টারনেট শুরুর দৌড়গোড়ায় ডায়েল আপ ইন্টারনেটের মাধ্যমেই ইন্টারনেটের সূচনা হয়। ডায়েল আপ ইন্টারনেট হল ইন্টারনেটের একেবারে শুরুর দিক। তবে এই ধরণের ইন্টারনেট পরিষেবায় গতি অনেক স্লথ হওয়ায় ডায়েল আপ ইন্টারনেট খুব অল্প দিনেই বন্ধ হয়ে যায়। ০২. ডি.এস.এল ইন্টারনেট ডায়েল আপ ইন্টারনেট পরিষেবার আর এক ধাপ উঁচু ইন্টারনেট পরিষেবা হল ডি.এস.এল ইন্টারনেট। যা ডায়েল আপ ইন্টারনেট পরিষেবার তুলনায় মূলত ১০০ গুন্ গতি সম্পন্ন ছিল। তবুও তা এযুগের