ফাংশন বলতে বোঝানো হয় পুর্বনির্ধারিত ফর্মুলা যা একটি নির্দিষ্ট গঠনে বা ক্রম পর্যায়ে কিছু নির্দিষ্ট মূল্য (ভ্যালু) ব্যবহার করে হিসাব সম্পাদন করে। এই নির্দিষ্ট ভ্যালু বা মূল্যকে আর্গুমেন্ট বলা হয়। যেমন, সমান বা যোগ প্রক্রিয়া, সংখ্যা বা সেলের সীমানা যোগ করে। আর্গুমেন্ট সংখ্যা, সংখ্যা ছাড়া যে কোনও তথ্য (টেক্সট), যৌক্তিক মূল্যবোধ, যেমন সত্য বা মিথ্যা ইত্যাদি প্রতিটিই আর্গুমেন্ট হতে পারে। ফাংশন বা ক্রিয়ার গঠন ফাংশন বা ক্রিয়ার গঠন তার নাম দিয়ে শুরু হয়, এর পরে থাকে শুরু বন্ধনী, ফাংশনের আর্গুমেন্ট আলাদা করা হয় কমা দিয়ে এবং শেষের বন্ধনী দিয়ে এই গঠনের সমাপ্তি হয়। ফাংশন বা ক্রিয়ার গঠনের একটি উদাহরণ নীচে দেওয়া হল =SUM (A10, B5:B7, 50, 37) "= "সমান চিহ্ন (যদি ফর্মুলার শুরুতে ফাংশন বা ক্রিয়া থাকে) "SUM " ফাংশন নেম বা ক্রিয়ার নাম "(A10, B5:B7, 50, 37)" --- আর্গুমেন্টস কী ভাবে ক্রিয়া ব্যবহার করতে হয় ধরা যাক, বিভিন্ন সেলে A1, B1, C1, D1 এর সমষ্টি E1 সেলে পেতে চাই, তবে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গুলি গ্রহণ করতে হবে- প্রথম পদক্ষেপ : যে সেলে সমষ্টি পেতে চাই, প্রথমে তা বেছে নিতে হবে, উদাহরণ স্বরূপ এখানে E1 দ্বিতীয় পদক্ষেপ : ‘ইনসার্ট’-এ গিয়ে ক্লিক করতে হবে। এটি বিভিন্ন নাম এবং বৈশিষ্ট্য সংবলিত একটি উইন্ডো খুলে দেবে। সব চেয়ে সাম্প্রতিক কালে ব্যবহৃত যোগ প্রক্রিয়া তালিকা থেকে বেছে নিতে হবে এবং ‘ওকে’ ক্লিক করতে হবে। পরবর্তী ছবি দু’টি থেকে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। যখন ‘সাম’ ক্লিক করা হবে, তখন নিম্নলিখিত চেহারা দেখা যাবে – নীচের ছবিতে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে যে নম্বর ১ এবং নম্বর ২ লেখা টেক্সট বক্স আর্গুমেন্টকে ১ নম্বর টেক্স বক্সে যাওয়া হচ্ছে। A1 : D1 লেখা রয়েছে এবং এর অর্থ হল E1 সেলে A1 থেকে D1 সীমার যোগ ফল দেখা যাবে। নোট : ধরা যাক A1 থেকে D1 এর লেখা যোগফল ১০০ যোগ করতে চাই। সে ক্ষেত্রে ২ নম্বরের আগে ১০০ লিখতে হবে। চতুর্থ পদক্ষেপ : ‘ওকে’ বোতামে ক্লিক করলেই E5 সেলে যোগফল দেখতে পাওয়া যাবে। অনুরূপ ভাবে অন্যান্য কিছু সম্ভাব্য ফাংশন বা ক্রিয়া যেমন ইফ, ম্যাক্স, অ্যাভারেজ, কাউন্ট, পি এম টি প্রভৃতি ব্যবহার করা যেতে পারে। সূত্র : কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, আই আই আই এম