দ্বাদশ পাস করার পর দেশের বিভিন্ন এয়ার ট্রেনিং প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রগুলিতে ভর্তি হতে গেলে প্রায় সব জায়গাতেই প্রবেশিকা পরীক্ষা দিতে হয়। লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি পরীক্ষা দিতে হয় ফিটনেসেরও। এই ধাপটিই সব চেয়ে কঠিন। ফিটনেসের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারলে তবেই এই কোর্সে ভর্তির সুযোগ পাওয়া যায়। এই পেশায় আয়ের সুযোগ যেমন বেশি, পড়ার খরচও তেমনি কম নয়। এ দেশে পড়তে গেল মোটামুটি ১৫-২০ লক্ষ টাকা খরচ হয়। অনেক ব্যাঙ্কই ৫০ শতাংশ শিক্ষা ঋণ দেয়। বিমান চালনার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, এমন প্রতিষ্ঠান ভারতে নিয়মিতই বাড়ছে। ঋণ পাওয়ার সুযোগ থাকায় অনেকেই পাইলট হওয়ার প্রশিক্ষণ নিতে চাইছেন। পেশা হিসেবে এর গুরুত্বও বাড়ছে। কারণ, ভারতের মধ্যে বিমান চলাচলের হার যেমন ক্রমবর্ধমান, তেমনই ভারতীয় নাগরিকদের বিদেশ যাওয়া বা যাতায়াতের পরিমাণও বেড়েছে অনেক। তার সঙ্গে তাল দিয়ে বাড়ছে বিভিন্ন বেসরকারি বিমান পরিষেবা সংস্থার কার্যকলাপ। আর এই কার্যকলাপ বৃদ্ধি মানেই আরও পাইলটের চাহিদা তৈরি। বিমান চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, এমন কিছু প্রতিষ্ঠানের খোঁজ এখানে দেওয়া হল। ১. ইন্দিরা গান্ধী রাষ্ট্রীয় উড়ান অ্যাকাডেমি, উত্তর প্রদেশ। ২. ফ্লাইং ট্রেনিং ইন্সটিটিউট, বেহালা। ৩. গভর্নমেন্ট এভিয়েশন ট্রেনিং ইন্সটিটিউট, সিভিল এয়ারড্রোম, ভুবনেশ্বর। ৪. কারনাল এভিয়েশন ক্লাব, কুনজাপুরা রোড, কারনাল, হরিয়ানা। ৫. গভর্নমেন্ট ফ্লাইং ক্লাব, এয়ারোড্রোম, লখনউ। ৬. স্কুল অব এভিয়েশন সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, দিল্লি ফ্লাইং ক্লাব লিমিটেড, নয়া দিল্লি। ৭. স্টেট সিভিল এভিয়েশন, ইউ পি গভর্নমেন্ট ফ্লাইং ট্রেনিং সেন্টার, কানপুর ও বারাণসী। ৮. রাজস্থান স্টেট ফ্লাইং ট্রেনিং স্কুল, সঙ্গনের এয়ারপোর্ট, জয়পুর, রাজস্থান। ৯. গভর্নমেন্ট ফ্লাইং ট্রেনিং স্কুল, জাক্কুর এয়ারোড্রোম, বেঙ্গালুরু। ১০. অন্ধ্রপ্রদেশ ফ্লাইং ক্লাব, হায়দরাবাদ এয়ারপোর্ট, হায়দরাবাদ। ১১. অসম ফ্লাইং ক্লাব, গুয়াহাটি এয়ারপোর্ট, অসম। ১২. বিহার ফ্লাইং ইন্সটিটিউট, সিভিল এয়ারোড্রোম, পটনা। সুত্রঃ কনটেন্ট ডেভেলপমেন্ট টিম