শিক্ষকেরা প্রশাসনিক কাজেই আইসিটিকে সাধারণ ভাবে ব্যবহার করেন শিক্ষকেরা ‘রুটিন কাজে’ আইসিটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করেন (তথ্য সংরক্ষণ, পাঠ পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি, তথ্য পরিবেশন, ইন্টারনেটে প্রাথমিক কিছু তথ্যানুসন্ধান ইত্যাদি) ভালোমতো ওয়াকিবহাল শিক্ষকেরা “কম্পিউটারের সাহায্যকারী নির্দেশের” উপর কম ভরসা করেন আইসিটির ব্যবহার সম্পর্কে ভালোমতো ওয়াকিবহাল শিক্ষকেরা অন্যান্য যে সব শিক্ষক আইসিটি ব্যবহার করেন, তাদের চেয়ে কম্পিউটারের সাহায্যকারী নির্দেশ কম ব্যবহার করেন, কিন্তু সার্বিক ভাবে আইসিটি বেশি ব্যবহার করেন। শিক্ষকেরা কেমন ভাবে আইসিটি ব্যবহার করবেন, তা তাঁদের সাধারণ শিক্ষণ পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে আইসিটি ব্যবহারের রকমফের শিক্ষকদের শিক্ষাদানের দর্শনের ওপর নির্ভর করে। যে সব শিক্ষক সবচেয়ে বেশি আইসিটি ব্যবহার করেন এবং সবচেয়ে কার্যকর ভাবে করেন, তাঁদের শিক্ষাবিজ্ঞানের সাবেক “সংবহন প্রথা” কম ব্যবহার করাটাই স্বাভাবিক। যে সব শিক্ষক অনেক রকমের সফটওয়্যার ব্যবহার করেন, তাঁদের ঝোঁক থাকে “গঠনমূলক” শিক্ষাবিজ্ঞান অনুসরণ করার দিকে। আইসিটি ব্যবহার করে শিক্ষাদান অনেকটা সময় সাপেক্ষ শিক্ষাদান ও পাঠগ্রহণে আইসিটি এর প্রবর্তন ও ব্যবহার শিক্ষকদের পক্ষে সময় সাপেক্ষ ব্যাপার, শিক্ষাদান প্রণালী ও পদ্ধতিতে তাঁরা যে পরিবর্তন আনতে চান তাতে, এবং যখন এই কৌশল নিয়মিত ভাবে ব্যবহৃত হবে তখনও -- উভয় ক্ষেত্রেই। সহজভাবে বললে : আইসিটি ব্যবহার করে শিক্ষাদান অনেকটা বেশি সময় সাপেক্ষ (একই বিষয় বস্তু পড়ানোর ক্ষেত্রে কতটা সময় বেশি লাগে, তার আন্দাজে তফাত দেখা যায়; মোটামুটি আন্দাজ হল ১০%)