বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষা আইন (আরটিই) আইন, ২০০৯ যথাযথ ভাবে প্রয়োগের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে দেশ জুড়ে বিপুল সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ করা প্রয়োজন। কাজটি বিশাল হলেও লক্ষ রাখতে হবে, এটা করতে গিয়ে শিক্ষকদের গুণমানের সঙ্গে যেন আপস না করা হয়। তাই নিযুক্ত শিক্ষকদের যাতে প্রাথমিক স্তরে ও উঁচু স্তরের ক্লাসগুলি নেওয়ার মতো উপযুক্ত দক্ষতা থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে। বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষা আইন (আরটিই) আইন, ২০০৯-এর ২৩ নং ধারার ১ নং উপধারা অনুযায়ী শিক্ষক শিক্ষণের জাতীয় সংসদ (এনসিটিই) ২০১০ সালের ২৩ আগস্টের এক নোটিফিকেশনের মাধ্যমে প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানোর জন্য শিক্ষকের যে ন্যূনতম যোগ্যতা প্রয়োজন, তা লিপিবদ্ধ করেছে। আরটিই-র ২ নং ধারার ‘ঢ’ দফায় বলা আছে, কোনও স্কুলে কোনও ব্যক্তিকে শিক্ষকের চাকরি পেতে হলে, তাকে টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট(টেট)-এ পাস করতে হবে। এই পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার নেবে। শিক্ষক হওয়ার জন্য ন্যূনতম টেট পাসের যোগ্যতামান তৈরির পেছনে যে যুক্তিগুলি রয়েছে, তা নিম্নরূপ--- এতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জাতীয় স্তরের মান বজায় থাকবে। এর ফলে শিক্ষক শিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলি ও তাদের ছাত্রদের মানের উন্নতি ঘটাবে। এর ফলে এই ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত সকলের কাছে এই বার্তা দেওয়া যাবে যে, সরকার শিক্ষকদের মানের বিষয়টিকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সরকারের তৈরি করে দেওয়া কোনও পেশাদার সংস্থা টেট পরীক্ষা নেবে।