শিক্ষক ও অভিভাবকরা একটা সহযোগিতা মঞ্চ গড়তে পারেন, যেখান থেকে তাঁরা শিশুকে আরও যত্নের সঙ্গে দেখাশোনার ব্যাপারে উন্নততর বোঝাপড়ায় পৌঁছতে পারেন। বাড়ি ও স্কুলের সুসম্পর্কের মাধ্যমেই শিশুর সামাজিক ভাবে,অনুভূতিগত দিক দিয়ে এবং পড়াশোনার ক্ষেত্রে সঠিক বিকাশ ঘটানো সম্ভব। শিক্ষক-অভিভাবক সহযোগিতা স্কুল ও বাড়ির সুসম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করে, যার ফলে শিশুটির বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে শিক্ষক ও অভিভাবকরা যথাযথ উপলব্ধির দিকে যেতে পারেন। শিক্ষার সংজ্ঞা সম্পর্কে উন্নততর বোঝাপড়ায় পৌঁছতে পারেন। নিজেদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাওয়া যায়। শিশুর পড়াশোনা ও প্রশিক্ষণের ব্যাপারে নতুন নতুন পদ্ধতি আয়ত্ত করা সম্ভব হয়। এই লক্ষ্যগুলি পূরণ করা গেলে শিশুরা অবশ্যই বাড়িতে ও স্কুলে শিশু-বান্ধব পরিবেশে বড় হয়ে ওঠার সুযোগ পাবে।