যে সমস্ত সংস্থা ও ব্যাক্তি ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ করে গর্ভপাত করে, তাদের প্রি নেটাল ডায়গোনসটিক টেকনিকস (রেগুলেশন অ্যান্ড প্রিভেনশন অফ মিসইউজ) অ্যাক্ট ১৯৯৪-এর অধীনে বিচার করা হয়। • এই আইনবলে ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ প্রযুক্তির অপব্যবহার ও তার বিজ্ঞাপন করা নিষিদ্ধ। প্রযুক্তির অপব্যবহার ও তার বিজ্ঞাপনই কন্যাভ্রূণ হত্যার হার বাড়ায়। • এই আইনবলে ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ প্রযুক্তির অপব্যবহার ও তার বিজ্ঞাপন করা নিষিদ্ধ। প্রযুক্তির অপব্যবহার ও তার বিজ্ঞাপনই কন্যাভ্রূণ হত্যার হার বাড়ায়। • জিনগত অস্বাভাবিকতা ও বিকৃতি থাকলে, কেবলমাত্র তা পরীক্ষার জন্যই এই আইন প্রসবের পূর্বে রোগনির্ণয় সংক্রান্ত প্রযুক্তি ব্যবহারের অনুমোদন দেয়। নির্দিষ্ট কিছু শর্তসাপেক্ষে ও স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানেই এই পরীক্ষা করা যায়। • তবে এই আইনগুলি না মানলে তা হবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। • যদি কোনও ব্যক্তি এ ব্যপারে কোনও রকম অভিযোগ দায়ের করতে চান, তবে অবশ্যই যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করুন এবং জানিয়ে দিন, অভিযোগ করার ৩০ দিনের মধ্যে কোনও পদক্ষেপ যদি কর্তৃপক্ষ না করেন তবে আপনি আদালতে অভিযোগ করবেন। এই আইন ছাড়াও ভারতীয় দণ্ডবিধি ১৮৬০ - এর নিম্নলিখিত ধারাগুলিও গুরুত্বপূর্ণ। • যখন অন্য কোনও ব্যক্তির কারণে কেউ মারা যায় (ধারা ২৯৯ এবং ৩০০) • ইচ্ছাকৃত ভাবে গর্ভবতী মহিলার মৃত শিশু প্রসব করানো (ধারা ৩১২) • কোনও শিশুকে যদি জীবিত অবস্থায় জন্ম দিতে বাধা দেওয়া হয় বা জন্মানোর পরেই মেরে ফেলা হয় (ধারা ৩১৫) • গর্ভে থাকা অবস্থায় যদি কোনও শিশুকে মেরে ফেলা হয় (ধারা ৩১৬) • ১২ বছরের নীচে শিশুকে পরিত্যাগ করা (ধারা ৩১৭ ). • লুকিয়ে শিশুর জন্ম দেওয়া ও তারপর তাকে ফেলে চলে যাওয়া (ধারা ৩১৮) এই সব অপরাধের শাস্তি হল ২ বছর থেকে আজীবন কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা দুটোই । উৎস : পোর্টাল কন্টেন্ট দল