<div id="MiddleColumn_internal"> <ul> <li>১। শিশুর অধিকারগুলিকে মানবাধিকার হিসেবে উপলব্ধি করুন এবং এবং আপনার এলাকায় তা প্রচার করুন।</li> <li>২। শিশুদের বোঝান স্কুলে ক্লাস করাটা কতটা জরুরি।</li> <li>৩। শেখানোর ব্যাপারে খোলামেলা হন। </li> <li>৪। শিশুর বন্ধু হন ও মানসিক ভাবে তার কাছাকাছি আসুন ও পথপ্রর্দশক হয়ে উঠুন।</li> <li>৫। আপনার ক্লাসকে আর্কষণীয় করতে নানান খবরাখবর দিন। শুধুমাত্র আপনি বলে যাবেন তা যেন না হয়, শিশুকেও আপনার কাছে আসতে দিন।</li> <li>৬। যে সব সমস্যা সাদা চোখে ততটা দেখা যায় না, যেমন, নিপীড়ন, অবহেলা, পড়াশোনায় অমনোযোগিতা, সেগুলিকে চিহ্নিত করতে শিখুন। </li> <li>৭। শিশুর সঙ্গে এমন একটি সম্পর্ক গড়ে তুলুন যাতে তারা তাদের মনোভাব, পছন্দ, চিন্তা, ভয় আপনার সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারে এবং সব সময় চেষ্টা করুন তাদের সঙ্গে সাধারণ গল্পগুজবের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার।</li> <li>৮। ভালো শ্রোতা হন। শিশুরা স্কুলে ও বাড়িতে যে সব সমস্যার সম্মুখীন হয় তা নিয়ে আলোচনা করুন।</li> <li>৯। শিশুকে এমন কাজে উত্সাহ দিন যা তাদের জীবনকে সুন্দর করে।</li> <li>১০। তাদের বিভিন্ন কাজের ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলুন।</li> <li>১১। স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাদের বৈঠকের ব্যবস্থা করুন। </li> <li>১২। শিক্ষক ও অভিভাবকদের সভায় শিশুদের অধিকার নিয়ে তাদের বাবা-মাকে সচেতন করুন ।</li> <li>১৩। দৈহিক শাস্তি বন্ধ করুন। শুধুমাত্র কথা বলে বুঝিয়ে, পরামর্শ দিয়ে শিশুদের নিয়মানুবর্তিতা শেখান।</li> <li>১৪। শিশুদের মধ্যে ভেদাভেদ করবেন না। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিশুদের সঙ্গে স্বাভাবিক ব্যবহার করুন।</li> <li>১৫। শিশুশ্রমিক, পথশিশু, অপরাধী শিশু, যৌননিগ্রহের শিকার শিশু, পাচার হওয়া শিশু, গৃহে অত্যাচারিত শিশু, মাদকাসক্ত শিশু বা আইনি লড়াইয়ে রত শিশুদের বিচ্ছিন্ন করে তকমা দেবেন না বা তাদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করবেন না। </li> <li>১৬। আপনার কাজের জায়গায় ও বাড়িতে শিশুশ্রমিক রাখবেন না।</li> <li>১৭। সব সময় গণতান্ত্রিক ভাবে বিচার করুন।</li> <li>১৮। একটি শিশু তার বাড়ি বা সমাজে যতটা সুরক্ষিত আপনার স্কুলেও ঠিক ততটাই সুরক্ষিত, এই ব্যাপারটি সুনিশ্চিত করুন। তেমন হলে পুলিশ ডেকে আইনের সাহায্য নিতে পিছপা হবেন না।</li> <li>১৯। বড়দের সামনে ও সমাজে নিজেদের মতামত পরিষ্কার করে জানাতে শিশুদের উত্সাহ দিন। </li> <li>২০। শিশুকে নানা রকম অনুষ্ঠান আয়োজন করতে উত্সাহ দিন, তাদের উপর দায়িত্ব ছেড়ে দিন এবং একই সঙ্গে সঠিক পথও দেখান।</li> <li>২১। বাচ্চাদের নিয়ে চড়ুইভাতি করতে যান, কাছাকাছি কোথাও আমোদভ্রমণে বেরিয়ে পরুন।</li> <li>২২। নানান রকম আলোচনা/বিতর্কসভা/ ক্যুইজ/আবৃত্তি প্রভৃতি অনুষ্ঠানে শিশুদের ব্যস্ত রাখুন।</li> <li>২৩। পড়াশোনাতেও উত্সাহ দিন। এবং মেয়েদেরও সব কাজে যুক্ত করুন। ক্লাসরুমের সৃষ্টিশীল কাজে তাদের উত্সাহ দিন।</li> <li>২৪। যে মেয়েরা নিয়মিত ক্লাসে আসে না বা মাঝপথে পড়া ছেড়ে দেয় তাদের দিকে লক্ষ রাখুন এবং এ রকম যাতে আর না হয় সেটা দেখুন।</li> <li>২৫। শিশুদের ঘিরে একটি সুরক্ষিত পরিবেশ তৈরি ও তাকে শক্তিশালী করতে সব শিক্ষকই সাহায্য করতে পারে। </li> <li>২৬। আপনার পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটাই আপনাকে আপনার ক্লাসের শিশুকে যাচাই করতে সাহায্য করবে। যদি কোনও সমস্যা দেখেন পরের পদক্ষেপই হচ্ছে সমস্যার কারণ খুঁজে বের করা।</li> <li>২৭। আপনাকে দেখতে হবে শিশুটির উপর তার পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুর চাপ আছে কিনা।</li> <li>২৮। শিশুটির সঙ্গে কিছু একান্ত সময় কাটান, তার উপর কিছু চাপিয়ে দেবেন না, আত্মমর্যাদায় আঘাত করবেন না বা তাকে লজ্জিত করবেন না।</li> <li>২৯। শিশুটিকে সাহায্য করুন যাতে সে তার মনের কথা ছবি এঁকে, গল্প লিখে বা সাধারণ গল্প করে বা স্কুলের পরামর্শদাতা বা সমাজসেবীদের কাছে প্রকাশ করতে পারে।</li> </ul> </div>