কেন্দ্রীয় সহায়তা পাওয়ার জন্য পূর্বশর্ত হিসাবে প্রতিটি রাজ্যকে বিদ্যালয় পরিচালনায় প্রশাসনিক সংস্কার করতে হবে। এই সব প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মধ্যে রয়েছে --- ১। বিদ্যালয় পরিচালনায় সংস্কার --– পরিচালন ও দায়বদ্ধতাকে বিকেন্দ্রীভূত করে বিদ্যালয়ের কার্যকারিতা বৃদ্ধি ২। শিক্ষক নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, পারিশ্রমিক, চাকরিতে উন্নতি ইত্যাদি বিষয়ে যুক্তিসংগত নীতি নির্ধারণ করা ৩। শিক্ষাব্যবস্থায় প্রশাসনিক সংস্কার করা ---আধুনিকীকরণ, ই-শাসন ও ক্ষমতা ভাগ করা/বিকেন্দ্রীকরণ ৪। সর্বপর্যায়ে, অর্থাৎ বিদ্যালয় পর্যায় থেকে শুরু করে তার উপরের স্তরগুলিতে, মাধ্যমিক শিক্ষায় পেশাদার ও শিক্ষাগত উপাদানের নিয়মিত জোগানের ব্যবস্থা ৫। আর্থিক পদ্ধতিকে সহজসরল করা যাতে তাড়াতাড়ি এবং অনুকূল ভাবে অর্থের জোগান এবং ব্যবহার সম্ভব হয় বিভিন্ন পর্যায়ে সম্পদ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলিকে শক্তিশালী করা, যেমন--- ১। জাতীয় স্তরে ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (এনসিইআরটি, রিজিওনাল ইনস্টিটিটিউট অফ এডুকেশন-সহ), ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ এডুকেশনাল প্ল্যানিং অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনইউইপিএ) এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিটিউট অফ ওপেন স্কুলিং (এনআইওএস) ২। রাজ্যস্তরে স্টেট কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (এসসিইআরটি), রাজ্য মুক্ত বিদ্যালয়, স্টেট ইনস্টিটিটিউট অফ এডুকেশনাল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিং (এসআইইএমএটি) ইত্যাদি ৩। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা বিভাগ, বিজ্ঞান/ সমাজবিজ্ঞান/ কলা বিষয়ক খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষক শিক্ষণ কলেজ (সিটিই)/শিক্ষায় আরও উন্নততর পড়াশোনার প্রতিষ্ঠান (আইএএসই), যেগুলির জন্য অর্থ আসে কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষক শিক্ষণ প্রকল্প থেকে।